আল্লাহ তা’আলার উপর তাওয়াক্কুলই হবে অত্র প্রতিষ্ঠানের চলার ভিত্তি। আল্লা তা’আলার উপর নির্ভর করে মুসলিম জনসাধারণের অনুদানের দ্বারাই এই প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হবে। শরীয়তের বিধান অনুসারে দাতা যে উদ্দেশ্যে দান করবেন তার টাকা সে খাতেই ব্যয় করতে হবে। অতএব অস্ত্র প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ফান্ড থাকবে যথা:
১. সাধারণ ফান্ড
২. গোরাবা ফান্ড
৩. কুতুবখানা ফান্ড
৪. মসজিদ ফান্ড (যদি মসজিদ থাকে)
৫. নিমার্ণ ফান্ড
১. সাধারণ ফান্ড
জনসাধারণের এককালীন দান, মাসিক চাঁদা, বাৎসরিক চাঁদা, সদস্য চাঁদা, মওসুমী ফসলের আয়, ফরম বিক্রি, ভর্তি ফিস, শিক্ষার্থীদের এককালীন চাঁদা, ওয়াকফ সম্পত্তির আয়, মেস, দোকান, বাড়ী ভাড়া (যদি থাকে) ইত্যাদি এই ফান্ডের আয়ের খাত হিসেবে গণ্য হবে। নিম্নোক্ত খাতে এই ফান্ডের টাকা ব্যায় করা হইবে। যথা:
* শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন
* গৃহাদী নির্মাণ ও মেরামত
* জায়গা জমি ও অসবাবপত্র ক্রয়
* ছাপা ও স্টেশনারী
* যাতায়াত
* আপ্যায়ন
* টেলিফোন, ডাক ও যোগাযোগ বিল
* বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল
* বাড়ী ভাড়া (যদি প্রয়োজন হয়)
* বিবিধ ব্যয়
২. গোরাবা ফান্ড
যাকাত, ফিরা, মান্নত, সাদাকাত, কুরবানীর চামড়ার পয়সা এবং গরীব ছাত্রদের জন্যে ব্যয়ের মর্তে। প্রদত্ত অনুদানের টাকা দিয়ে এই ফান্ড গড়ে তোলা হবে। এই ফান্ডের টাকা একমাত্র গরীব শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন পূরণের জন্য ব্যয় করা হবে। শরীয়ত মতে এ ফান্ডের টাকা অন্য কোন খাতে ব্যয় করা বৈধ নয় এবং এই ফান্ডের টাকা দীর্ঘ দিন জমা করে রাখাও ঠিক নয়।
৩. কুতুবখানা ফান্ড
শিক্ষার্থীদের থেকে গৃহীত কিতাব ও বাইন্ডিং চার্জ এবং মাদরাসার কিতাব ক্রয়ের জন্য যে অনুদান আসবে, তা দ্বারা এই ফান্ড গড়ে তোলা হবে। এই ফান্ডের টাকা কেবল মাত্র কিতাব ক্রয়, বাইন্ডিং ও মেরামত করার জন্যই ব্যবহার করা হবে।
৪. মসজিদ ফান্ড
মসজিদের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত অনুদান, মসজিদের সিন্দুকে প্রদত্ত টাকা ও শুক্রবারের কালেকশনের টাকা এবং মসজিদের জন্য ওয়াকফকৃত সম্পত্তির আয় দ্বারা এই ফান্ড গঠন করা হবে। মসজিদ নিমার্ণ, মেরামত, মসজিদের প্রয়োজনীয় ব্যয় ও আসবাবপত্র ক্রয়, ইমাম, মুআযযিন ও কর্মচারীদের বেতন ভাতা ইত্যাদি কাজে ব্যয় করা হবে।
৫. নির্মাণ ফান্ড
মাদরাসার ঘর-দরজা, দালান কোঠা ইত্যাদি নির্মাণ বাবত যে অর্থ আসবে, তা ঐ খাতেই ব্যয় করতে হবে। অন্য কোন খাতে ব্যয় করা যাবে না।